pre-removebg-preview
Loading ...

আমাদের সম্পর্কে

আমাদের সংগঠনের ইতিহাস

১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রজ্ঞা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আসর শুরু থেকেই এলাকাবাসীর মাঝে সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে পথচলা শুরু করে। প্রতিবছর দুর্গাপূজার নবমীর দিন সারারাতব্যাপী সঙ্গীত, নৃত্য, নাটকসহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা আনন্দ ও বিনোদনের বার্তা পৌঁছে দিই। আমাদের মঞ্চে স্থানীয় শিল্পী, লেখক ও প্রতিভাবান তরুণরা নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পান।

প্রজ্ঞা শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজনেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও মানসিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা, সৃজনশীল লেখালেখির চর্চা এবং সাহিত্যচর্চার প্রসারেও আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের উপদেষ্টা প্যানেল ও বর্তমান কমিটির দায়িত্বশীল নেতৃত্বে প্রজ্ঞা আজ একটি সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য

প্রজ্ঞা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আসরের মূল লক্ষ্য হলো সমাজে সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো এবং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের দিকে আকৃষ্ট করা। প্রতিবছরের দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান শুধু বিনোদনের নয়, বরং সমাজের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।

আমাদের উদ্দেশ্য শুধু অনুষ্ঠান আয়োজন নয়; বরং প্রতিভাবান শিক্ষার্থী ও তরুণ শিল্পীদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করা। আমরা নিয়মিত সাহিত্যচর্চা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, এবং শিক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করি, যাতে তরুণরা জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং ইতিবাচক মূল্যবোধে গড়ে ওঠে।

এছাড়া সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখা এবং মানুষের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। আমরা বিশ্বাস করি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী হাতিয়ার।

আমাদের অর্জন

প্রজ্ঞা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আসরের অন্যতম সংগঠক সনেট কান্তি দেব আমাদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনকে গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তাঁর উদ্যােগে ‘দৈনিক পূর্বকোণ’ ও ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ পত্রিকায় প্রজ্ঞার অনুষ্ঠান স্থান পেয়ে গৌরবের অংশ হয়ে আছে।